আর্থিক সংকটের কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী লেখাপড়া ছেড়ে দিতে না হয় এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (PMEAT) গঠন করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীনে এই ট্রাস্টটি পরিচালিত হয়। ২০২৬ সালে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি সহায়তা কর্মসূচি চালু আছে। এই আর্টিকেলে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ভর্তি সহায়তার সম্পূর্ণ নির্দেশিকা আলোচনা করা হয়েছে। আবেদনের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আবেদন প্রক্রিয়া এবং সহায়তার পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• মাধ্যমিক: ৪,০০০ টাকা (এককালীন)
• উচ্চমাধ্যমিক: ৬,০০০ টাকা (এককালীন)
• স্নাতক: ৮,০০০ টাকা (এককালীন)
• বার্ষিক আয়ের সীমা: ৩ লক্ষ টাকার কম
• আবেদনের ঠিকানা : pmeat.gov
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কী?
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট (Prime Minister’s Education Assistance Trust – PMEAT) একটি সরকারি উদ্যোগ। ২০১২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সহজ করতে ট্রাস্টটি নানা ধরনের আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ট্রাস্টটি পরিচালনা করে।ট্রাস্ট থেকে মূলত চার ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়: উপবৃত্তি (৬ষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যায়), ভর্তি সহায়তা (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সময়), এম.ফিল ও পিএইচ.ডি ফেলোশিপ, এবং চিকিৎসা ও জরুরি আর্থিক সহায়তা। ভর্তি সহায়তা নির্দেশিকা ২০২৬ জারি হয়েছে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে। নির্দেশিকাটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) কর্তৃক স্বাক্ষরিত।
ভর্তি সহায়তার পরিমাণ ২০২৬
২০২৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী সহায়তার পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্বে (২০২৪-২৫ পর্যন্ত) মাধ্যমিকে ৫,০০০ টাকা, উচ্চমাধ্যমিকে ৮,০০০ টাকা এবং স্নাতকে ১০,০০০ টাকা দেওয়া হতো। ২০২৬ সালে এই পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে।
| শিক্ষা পর্যায় | সহায়তার পরিমাণ |
|---|---|
| মাধ্যমিক ও সমমান (৬ষ্ঠ–১০ম শ্রেণি) | ৪,০০০ টাকা (এককালীন) |
| উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি) | ৬,০০০ টাকা (এককালীন) |
| স্নাতক ও সমমান (ডিগ্রি/অনার্স ১ম বর্ষ) | ৮,০০০ টাকা (এককালীন) |
কারা আবেদন করতে পারবেন? যোগ্যতা ও শর্তাবলি
ভর্তি সহায়তা পেতে হলে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। এই শর্তগুলো পুরো আবেদনের ভিত্তি। একটিও না মানলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
মূল যোগ্যতা:
- দেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী হতে হবে।
- পিতা/মাতা/অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
- পূর্ববর্তী শ্রেণিতে শতকরা ন্যূনতম ৬০% নম্বর অথবা GPA-তে সমমানের ফলাফল থাকতে হবে।
- নির্ধারিত ফরমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ থাকতে হবে।
অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি: নিচের শিক্ষার্থীরা আবেদনে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন — এতিম শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বা যার অভিভাবক প্রতিবন্ধী, দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থী বা অভিভাবক, অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থী (অভিভাবক নিম্ন আয়ের শ্রমিক), জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর সন্তান, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘অদম্য মেধাবী’ শিক্ষার্থী।
মনে রাখবেন: স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে একই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১ (এক) বার এই সহায়তা পাবেন। এবং স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ২,০০০ (দুই হাজার) জন পর্যন্ত নির্বাচন করা হবে।
কীভাবে আবেদন করবেন? ধাপে ধাপে নির্দেশনা
আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়া। একটি স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান করে রাখুন। নিচে ধাপগুলো বিস্তারিত দেওয়া হলো।
ধাপ ১: অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে যান
ব্রাউজারে https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission লিখে প্রবেশ করুন। এটিই একমাত্র অফিশিয়াল আবেদন পোর্টাল। অন্য কোনো সাইটে আবেদন করবেন না।
ধাপ ২: রেজিস্ট্রেশন করুন
মোবাইল নম্বর, জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। OTP কোড মোবাইলে আসবে — সেটি দিয়ে যাচাই সম্পন্ন করুন।
ধাপ ৩: আবেদন ফরম পূরণ করুন
ব্যক্তিগত তথ্য, পারিবারিক আয়ের তথ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, শ্রেণি ও পরীক্ষার ফলাফল সঠিকভাবে দিন। কোনো তথ্য ভুল হলে পরবর্তীতে সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
ধাপ ৪: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন
সব কাগজপত্রের স্ক্যান কপি বা স্পষ্ট ছবি আপলোড করুন। ফাইলের আকার নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখতে হবে।
ধাপ ৫: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিন
শিক্ষার্থী নিজের বা পিতা/মাতার অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন। পিতামাতা উভয়ই মৃত হলে শিক্ষার্থীর স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট দেওয়া যাবে।
ধাপ ৬: ফরম সাবমিট করুন ও প্রিন্ট নিন
সব তথ্য যাচাই করে সাবমিট করুন। আবেদন সম্পন্ন হলে একটি নিশ্চিতকরণ নম্বর পাবেন — সেটি সংরক্ষণ করুন।
কী কী কাগজপত্র লাগবে?
কাগজপত্র সঠিক ও সম্পূর্ণ না হলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। নিচে প্রয়োজনীয় নথির তালিকা দেওয়া হলো।
সকল শ্রেণির জন্য বাধ্যতামূলক:
- শিক্ষার্থীর সদ্য তোলা রঙিন ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
- শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর (স্ক্যান বা স্পষ্ট ছবি)
- জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি
- পিতা বা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
- নির্ধারিত ফরমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ/প্রত্যয়ন
- ব্যাংক অ্যাকাউন্টের চেকবইয়ের প্রথম পাতার ছবি বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিশেষ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজ: এতিম হলে অভিভাবকের মৃত্যু সনদ, প্রতিবন্ধী হলে প্রতিবন্ধী সনদ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধা সনদের কপি, সরকারি কর্মচারীর সন্তান (২০তম গ্রেড) হলে কর্মরত প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন, পিতামাতা উভয়ই মৃত হলে উভয়ের মৃত্যু সনদ জমা দিতে হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া: কীভাবে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়?
আবেদন জমা পড়ার পর দুটি কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়। নিচে সেই প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো।
ধাপ ১ — প্রাথমিক যাচাই-বাছাই কমিটি: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের পরিচালকের নেতৃত্বে এই কমিটি আবেদনগুলো প্রাথমিকভাবে পর্যালোচনা করে। যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করা হয়।
ধাপ ২ — মূল বাছাই কমিটি: ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সভাপতিত্বে ১০ সদস্যের এই কমিটিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা থাকেন। চূড়ান্ত তালিকা এই কমিটিই অনুমোদন দেয়।
প্রতি উপজেলা/শিক্ষা থানায় প্রতি শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ–১০ম শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ২০ জন এবং একাদশ ও সমমান শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি সহায়তা পাবেন। স্নাতক পর্যায়ে একই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ একবার সহায়তা পাবেন।
টাকা কীভাবে পাবেন?
নির্বাচিত হলে মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে। সহায়তার অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থী অথবা পিতা/মাতার অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। পিতামাতা উভয়ই মৃত থাকলে শিক্ষার্থীর স্কুল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। আবেদন সম্পন্নের পর সাধারণত ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে টাকা অ্যাকাউন্টে আসে। টাকা “বাউন্সব্যাক” হলে ট্রাস্ট তথ্য যাচাই করে পুনরায় পাঠায়।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ভর্তি সহায়তা নিয়ে সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: আমার পরিবারের আয় ৩ লক্ষের একটু বেশি আবেদন করতে পারব?
উত্তর: না। নির্দেশিকা অনুযায়ী পিতা/মাতা/অভিভাবকের বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার কম হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত (এতিম, প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান) শ্রেণির জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হয়।
প্রশ্ন ২: মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কি আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: হ্যাঁ। সরকারি ও বেসরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় সবার জন্য এই সহায়তা প্রযোজ্য। আলিম ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীরাও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৩: পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করব?
উত্তর: লগইন পেজ থেকে “আপনি কি পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?” লিংকে ক্লিক করুন। মোবাইল নম্বর, জন্ম সনদ নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে OTP পাঠানোর অনুরোধ করুন। সেই কোড দিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করুন।
প্রশ্ন ৪: একই শিক্ষার্থী কি প্রতি বছর আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ট্রাস্টের তহবিলের পর্যাপ্ততার ভিত্তিতে সংখ্যা বাড়ানো-কমানো হয়। স্নাতক পর্যায়ে একই শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ১ বার সহায়তা পাবেন।
প্রশ্ন ৫: কারিগরি শিক্ষার্থীরা কি এই সহায়তা পাবেন?
উত্তর: হ্যাঁ। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও যোগ্যতা পূরণ করলে আবেদন করতে পারবেন। বাছাই কমিটিতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি থাকেন।
প্রশ্ন ৬: MBBS বা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা কি বিশেষ সুবিধা পাবেন?
উত্তর: হ্যাঁ। MBBS, BSc Engineering ও BSc Nursing শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৬ সালে আলাদা বিশেষ আর্থিক সহায়তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। আবেদন চলমান রয়েছে।
প্রশ্ন ৭: ভর্তি সহায়তা ও উপবৃত্তি কি একসাথে পাওয়া যাবে?
উত্তর: ভর্তি সহায়তা ও উপবৃত্তি দুটি আলাদা কার্যক্রম। তবে একজন শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য যোগ্য হতে পারেন শর্তাবলি পৃথক।
প্রশ্ন ৮: আবেদন করার পর টাকা পেতে কত দিন লাগে?
উত্তর: আবেদন সম্পন্নের পর সাধারণত ৪ থেকে ৬ মাস সময় লাগে। নির্বাচিত হলে মোবাইলে SMS জানানো হবে।
সর্বশেষ কথা
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ভর্তি সহায়তা অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। তবে আবেদনের সময় সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া জরুরি। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eservice.pmeat.gov.bd/admission ছাড়া অন্য কোনো সাইটে আবেদন করবেন না। আবেদনের সময়সীমা ও অন্যান্য তথ্য পেতে নিয়মিত pmeat.gov.bd ওয়েবসাইট চেক করুন। সরকারি নীতিমালা যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সর্বশেষ তথ্যের জন্য সরাসরি অফিসিয়াল সাইটের ওপর নির্ভর করুন।
তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (pmeat.gov.bd), ভর্তি সহায়তা আবেদন পোর্টাল (eservice.pmeat.gov.bd/admission), শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা প্রদান নির্দেশিকা ২০২৬ — মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
দাবিত্যাগ: এই আর্টিকেলটি তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারি নীতিমালা যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ ও নির্ভুল তথ্যের জন্য সরাসরি pmeat.gov.bd ওয়েবসাইট দেখুন। সর্বশেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬।


