পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল ও গতিশীল রকেট

Posted on

বন্ধুরা আমাদের দেশ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি দিক দিয়ে প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে এখনকার বৈজ্ঞানিকরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ইতিহাস এবং রেকর্ড তৈরি করছে কিছুদিন আগে ২২ শে জুলাই ২০১৯ ইসরো চন্দ্রযান ২ লঞ্চ করেছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে পাওয়ারফুল ও গতিশীল রকেট

এর আগে ৭ ২০০৮ এ চন্দ্রযান অনকে সফলতা পূর্বক লঞ্চ করা হয়েছিল আর এটাকে চাঁদের সম্বন্ধে অনেক ইনফরমেশন একত্রিত করার জন্য পাঠানো হয়েছিল চন্দ্রযান ওয়ান হলে সে প্রথম স্যাটেলাইট যেসব প্রথমে চাঁদে পানির খোঁজ করে যদিও ইসরো মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে।

hjmtjkrty

স্যাটেলাইট এর সাহায্যে আমরা মোবাইল দিশ্টিভি এবং নেভিগেশন সিস্টেম অ্যাক্সেস করতে পারিনি এর মধ্যে সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল এই সমস্ত স্যাটেলাইট বানাতে ভারত অন্যদেশের সাহায্য নেয় এ সমস্যার স্যাটেলাইট ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা নিজেদের টেকনোলজি তারা বানিয়েছে এর মধ্যে আরেকটি হাস্যকর হলেও তারা এই সমস্ত স্যাটেলাইট সবচেয়ে কম বাজেটে তৈরি করেন চন্দ্রযান ওয়ান বানাতে।

রকেট ঘন্টায় কত কি মি যায়

৫৬ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে অর্থাৎ ৩৮৬ কোটি আর চন্দ্রযান 2 বানাতে 602 কোটি আবার অন্যদিকে নাসারাদের একটি স্যাটেলাইট বানাতে 40 থেকে 50 আরব ডলার খরচ করে এই খরচ খরচ থেকে নব্বই গুণ বেশি আবার তো হলিউডের সুপারহিট ফিল্ম এভেন্জার্স এন্ডগেম বানাতে 356 মিলিয়ন ডলার খরচ লেগেছিল আর আমাদের ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা।

140 মিলিয়ন ডলার এই চন্দ্রযান 2 বানিয়েছে চন্দ্রযান টু লম্বায় 40 মিটার এর ওজন 640 জন 15 ফেব্রুয়ারি 2017 তে ভারত নতুন একটি প্রতিস্থাপন করে ইতিহাস বানিয়েছিল যখন পিএসএলভি শিক্ষার্থী লঞ্চ করা হয়েছিল এতে একসঙ্গে 104 টি স্যাটেলাইট লঞ্চ করা হয়েছিল যার মধ্যে 100 একটি স্যাটেলাইট কোন দেশ অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল স্যাটেলাইট ছিল আর তিনটি স্যাটেলাইট ইন্ডিয়ান ছিল 104 স্যাটেলাইট লঞ্চ করা ভারত দুনিয়ার প্রথম টেস্ট একসাথে কতগুলো স্যাটেলাইট।

রকেট কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে

দেশে পাঠিয়েছেন আজ পর্যন্ত এরকম কোন দেশ করতে পারেনি এমনকি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্পেস অরগানাইজেশন নাসাও না ইসরো পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ থিস পেজ টি দেশের মধ্যে একটি ভারতীয় বৈজ্ঞানিক তারা করা এই যোগদানকে ইতিহাসের সব সময় মনে রাখা হবে বন্ধুরা ভারতীয় বিজ্ঞানীদের সফলতার জন্য প্রত্যেক দেশ তাদের নতুন নতুন টেকনোলজি বানানোর দিকে মন দিয়েছি যেন আমাদের জীবন আরো বেশি সহজ থেকে সহজতর হয়ে ওঠে এরকমই আজকের ভিডিওতে এমন এক টেকনোলজি কথা বলব।

যেটা আগত সময় আমাদের পৃথিবী পুরোপুরি বদলে দেবে এই টেকনোলজির এখানে যাওয়ার জন্য বানানো হয়েছে যার নাম স্পেস এলিভেটর স্পেস এলিভেটর এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেম অর্থাৎ বৈজ্ঞানিকরা এমন একটি গ্রুপ আবিষ্কার করতে চাইছে যাতে স্পেসের ট্রাভেলস করা এবং স্যাটেলাইট পাঠানোর সহজ হয়ে যায় আর ওটা কোন রকেটের সাহায্য ছাড়াই এই এলিভেটর।

রকেট কিভাবে মহাকাশে যায়

একটি কেবি হবে এই কেবিল এর সাহায্যে বৈজ্ঞানিক রাজ্যে কোন স্যাটেলাইট লঞ্চ করতে পারবে এই এলিভেটর সাহায্যে আমরা পৃথিবীতে বেঁচে যেতে পারবো এই এলিভেটর মহাকাশযাত্রার খরচ অনেক কমে যাবে অর্থাৎ নরমালি .৪৫ পাঠাতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয় এই এলি মিটার এর সাহায্যে খরচ থেকে ৭০ শতাংশ কমে যাবে এর সাহায্যে কোন স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর জন্য।

ukj7iytjky

শুধু শিখার কিন্তু সময় লাগবে এলিভেটর বানানো কোম্পানি বলেছে সাল ২০৩৫ পর্যন্তই টা বানিয়ে রেডি হয়ে যাবে এই এলিভেন এর সাহায্যে মানুষের শ্বাস নিতে পারবে আপুর টাও অনেক কম পড়েছে আপনাকে 32 হাজার কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে আবার আপনিও কি হয়েছে যেতে চান যদি হ্যাঁ হয় তাহলে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবি আর ভারতের এই বড় সফলতার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *